ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে তালাক গোপন রেখে প্রবাসী স্বামীর সম্পদ আত্মসাৎ এর অভিযোগে আদালতে মামলা ঝিকরগাছায় মাদ্রাসার নামে অর্থ নিয়ে গড়ে উঠছে ব্যক্তিগত অট্টালিকা : প্রশাসনের তদন্ত কমিটি গঠন (১ম পর্ব) কুড়িগ্রাম রাজারহাটে হরিজন-রবিদাস নারীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ করলেন এাণমন্ত্রী শার্শায় স্বর্ণের বারসহ আটক-১, মোটরসাইকেল জব্দ সৌদি আরবে গিয়ে অপহরণের শিকার ঝিকরগাছার সেতু শার্শায় পূজামন্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময় কুড়িগ্রাম উলিপুরে বাচ্চু মিয়া খুনের মামলায় অভিযুক্ত আটক পলাশবাড়ী উপজেলায় জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার-৮ গাইবান্ধার‌ সাঘাটা উপজেলায় প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় ছেলে পূজা দেখতে যাওয়াই কাল হলো শোভন ও দিশার, সড়ক দুর্ঘটনায় দুই ভাইবোন নিহত
বিজ্ঞাপনঃ
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম...

স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে ফরিদপুরে কাঁচা কলা দেওয়ার পর ঝিকরগাছায় দেওয়া হলো কাঁচা ডিম ; প্রধান শিক্ষক জানেননা ঠিকাদার কে

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • / ৩৬৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি

 

 যশোরের ঝিকরগাছায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে কাঁচা ডিম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার কায়েমকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত বুধবার (৬ মে) এই ঘটনা ঘটে। স্কুলের প্রধান শিক্ষককে এই বিষয়ে প্রশ্ন করলে কোন ঠিকাদার এই খাদ্য পাঠিয়েছেন সেটা তিনি বলতে পারেননি। এছাড়াও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কাঁচা কলা সরবরাহ, সঠিক সময়ে খাদ্য না পৌছানোর অভিযোগও পাওয়া গিয়েছে।

 

ঝিকরগাছা উপজেলার ১৩১ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং এর আওতায় বুধবার (৬ মে) বাচ্চাদের সেদ্ধডিম ও বানরুটি দেওয়ার কথা থাকলেও মাগুরা ইউনিয়নের কায়েমকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বানরুটির সাথে কাঁচা ডিম পাঠানো হয়। কিন্তু প্রধান শিক্ষক সেটি গ্রহণ না করে ফেরত পাঠান। ফলে ঐ দিন বাচ্চারা শুধু বানরুটি পেয়েছে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ মাফিজুর রহমান বলেন, একেকদিন একেকজন এসে খাবার দিয়ে যায়। কে পাঠায়, কোথা থেকে পাঠায় এগুলোর কিছুই জানিনা। বুধবারে বানরুটির সাথে সেদ্ধ ডিম পাঠানোর কথা থাকলেও ডেলিভারিতে কাঁচা ডিম পাঠালে আমি সেটা রিসিভ না করে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছি।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, সুশীলন নামের একটি এনজিও ঝিকরগাছা উপজেলায় বানরুটি, কলা আর ডিম সরবরাহের দায়িত্ব পেয়েছে। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক প্রধান শিক্ষক জানান, এই এনজিওর কোনো কর্মকর্তাকে তারা চিনেননা। তারা পাকা কলার বদলে কাঁচা কলা সরবরাহ করে। মাঝেমধ্যে কাঁচা ডিম পাঠায়। এছাড়াও সাড়ে ১১টার মধ্যে স্কুলে খাবার পৌছানোর কথা থাকলেও দেরীতে পৌছানোর অভিযোগ করেন।

সুশীলন এনজিওর ঝিকরগাছা উপজেলা এরিয়া ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা একমাস এই কাজ শুরু করেছি। নতুন হওয়াতে কাজে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তবে আমরা দ্রুতই সবকিছু স্বাভাবিক করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। কিছু জায়গায় সমস্যা হচ্ছে এগুলো ঠিক হয়ে যাবে।

ঝিকরগাছা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ ওয়ালিউর রহমান বলেন, প্রত্যেক স্কুলে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে কাঁচা কলা বা কাঁচা ডিম গ্রহণ না করার জন্য। কায়েমকোলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাঁচা ডিম সরবরাহের বিষয়ে তিনি জানেননা এবং খোঁজ নিয়ে জানার পর ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।

আরও পড়ুন..  পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা

ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাফফাত আরা সাইদ বলেন, ঘটনা শুনেছি। আজ উপজেলা পরিষদে মিটিং এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে ফরিদপুরে কাঁচা কলা দেওয়ার পর ঝিকরগাছায় দেওয়া হলো কাঁচা ডিম ; প্রধান শিক্ষক জানেননা ঠিকাদার কে

আপডেট সময় : ০৯:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি

 

 যশোরের ঝিকরগাছায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে কাঁচা ডিম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার কায়েমকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত বুধবার (৬ মে) এই ঘটনা ঘটে। স্কুলের প্রধান শিক্ষককে এই বিষয়ে প্রশ্ন করলে কোন ঠিকাদার এই খাদ্য পাঠিয়েছেন সেটা তিনি বলতে পারেননি। এছাড়াও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কাঁচা কলা সরবরাহ, সঠিক সময়ে খাদ্য না পৌছানোর অভিযোগও পাওয়া গিয়েছে।

 

ঝিকরগাছা উপজেলার ১৩১ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং এর আওতায় বুধবার (৬ মে) বাচ্চাদের সেদ্ধডিম ও বানরুটি দেওয়ার কথা থাকলেও মাগুরা ইউনিয়নের কায়েমকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বানরুটির সাথে কাঁচা ডিম পাঠানো হয়। কিন্তু প্রধান শিক্ষক সেটি গ্রহণ না করে ফেরত পাঠান। ফলে ঐ দিন বাচ্চারা শুধু বানরুটি পেয়েছে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ মাফিজুর রহমান বলেন, একেকদিন একেকজন এসে খাবার দিয়ে যায়। কে পাঠায়, কোথা থেকে পাঠায় এগুলোর কিছুই জানিনা। বুধবারে বানরুটির সাথে সেদ্ধ ডিম পাঠানোর কথা থাকলেও ডেলিভারিতে কাঁচা ডিম পাঠালে আমি সেটা রিসিভ না করে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছি।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, সুশীলন নামের একটি এনজিও ঝিকরগাছা উপজেলায় বানরুটি, কলা আর ডিম সরবরাহের দায়িত্ব পেয়েছে। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক প্রধান শিক্ষক জানান, এই এনজিওর কোনো কর্মকর্তাকে তারা চিনেননা। তারা পাকা কলার বদলে কাঁচা কলা সরবরাহ করে। মাঝেমধ্যে কাঁচা ডিম পাঠায়। এছাড়াও সাড়ে ১১টার মধ্যে স্কুলে খাবার পৌছানোর কথা থাকলেও দেরীতে পৌছানোর অভিযোগ করেন।

সুশীলন এনজিওর ঝিকরগাছা উপজেলা এরিয়া ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা একমাস এই কাজ শুরু করেছি। নতুন হওয়াতে কাজে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তবে আমরা দ্রুতই সবকিছু স্বাভাবিক করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। কিছু জায়গায় সমস্যা হচ্ছে এগুলো ঠিক হয়ে যাবে।

ঝিকরগাছা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ ওয়ালিউর রহমান বলেন, প্রত্যেক স্কুলে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে কাঁচা কলা বা কাঁচা ডিম গ্রহণ না করার জন্য। কায়েমকোলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাঁচা ডিম সরবরাহের বিষয়ে তিনি জানেননা এবং খোঁজ নিয়ে জানার পর ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।

আরও পড়ুন..  নড়াইলে মাছের বাজার দাম ঊর্ধ্বমুখী

ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাফফাত আরা সাইদ বলেন, ঘটনা শুনেছি। আজ উপজেলা পরিষদে মিটিং এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।